দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাড়িতে হামলা ও কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন মাদারীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য। তিনি আসনটিতে কলস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুারি) বিকেলে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম নিজ বাড়িতে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন। এ সময় নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর বৃহস্পতিবার বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম উৎসবমুখর পরিবেশে ভয়ভীতিহীনভাবে মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে এ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হোক কিন্তু তার প্রতিফলন আমরা পাইনি। বিভিন্ন জায়গা বিশেষ করে মাদারীপুর সদরের পাঁচখোলা, পূর্ব রাস্তি, ধানের শীষের প্রার্থীর নিজস্ব এলাকা কুলপদ্দি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার অনেক কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রথম থেকেই এই অভিযোগগুলো রিটার্নিং কর্মকর্তা মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে না পারলেও মৌখিকভাবে জানিয়ে আসছি।
এছাড়া পূর্ব রাস্তিতে হাকিম বেপারী নামে একজন আমার এক এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেয়। এ ছাড়া রেজাল্ট শিটে ভোট গণনার পর স্বাক্ষর নেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন কেন্দ্রে আগেই স্বাক্ষর নিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলাফল গণনার সময় রাজৈরের ফলাফলে আমরা অনেক এগিয়ে থাকি। যেমন আমি ২১০০ ভোট পেয়েছি আর ধানের শীষ পেয়েছে ২ হাজার ৮৩৮ এর মতো ভোট। মাদারীপুর সদরে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ভোট কাস্টিং হয়েছে ২০-২২%। সেখানে আধঘণ্টার মধ্যে কিভাবে ১৫% ভোট কাস্টিং হলো, আমি সন্দেহ প্রকাশ করছি।
হামলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আমার নিজ বাড়িতে বসেই বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ফলাফল সংগ্রহ করছিলাম। অর্ধেক সংগ্রহ হয়েছে এমন সময় নির্বাচন ছেড়ে দেওয়া ধানের শীষের ডামি প্রার্থী শহিদুলের নেতৃত্বে ধানের শীষের একটি মিছিল এসে আমার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। সে হামলায় মনির মোল্লা, নাসির মোলালাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।
এই প্রার্থী আরও বলেন, তাদের চিৎকার শুনে আমরা ঘটনাস্থলে এলে তারা পালিয়ে যায়। আমি সবকিছু রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, এসিল্যান্ড, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ফোর্স আমার বাড়িতে আসে। আমার কর্মীরা বাড়ি ফিরে যাওয়ার সময় প্রশাসনের লোকজনের সামনেই তারা আবার হামলা চালায়। কাজেই যে নির্বাচন হয়েছে আমি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি। এ ব্যাপারে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করব।
আরএ