দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাতে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের রমজানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত–জাতীয় নাগরিক পার্টি পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের প্রার্থীর ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানালে জামায়াত ও এনসিপির নেতা–কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপির অভিযোগ, রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাদের দাবি, সংঘর্ষে তাদের আটজন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন। বিএনপির দাবি অনুযায়ী, ধামোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলামসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে সাতজন আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়–১ আসনের শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলম ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘বিএনপি সন্ত্রাসীরা আমার আটজন নেতা–কর্মীকে আহত করেছে। একজনের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মানুষকে ভয় দেখানোর জন্যই এ হামলা।’
বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের নির্বাচনী এজেন্ট ব্যারিস্টার নওফল জমির বলেন, ‘জামায়াত–এনসিপির নেতা–কর্মীরা আমাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে। এর প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি।’
আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
এমএস/