দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে পুরো ঝিনাইগাতী উপজেলা জুড়ে সুনসান নীরবতা দেখা গেছে। রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাচল খুবই কম, বন্ধ রয়েছে উপজেলা সদর বাজারের অধিকাংশ দোকানপাট।
নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন। তার মরদেহ বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সেখানে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ শেরপুরের শ্রীবরদীতে আনা হবে। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনায় বিএনপির এমপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ও জামায়াতের এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছেন।
এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চেয়ার বসানোকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন রেজাউল করিম। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শেরপুর জেলা পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
এদিকে জানাজাকে কেন্দ্র করে যে-কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
জে আই