দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ভালুকা বাসস্ট্যান্ড ও হবিরবাড়ি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা থেকে শুরু হওয়া দফায় দফায় সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের নিশিন্দা বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলমের পক্ষে লিফলেট বিতরণকালে ফখর উদ্দিন বাচ্চুর সমর্থকরা হামলা চালায়। এতে অপু নামে এক কর্মী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এর পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালীন ভালুকা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ইসলামী ব্যাংকের সামনে অবস্থিত বিএনপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আদি খান শাকিলের অফিসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান আগুনের ঘটনায় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে চারপাশ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম অভিযোগ করেন, বাটাজোড় বাজারে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় তার ওপর সরাসরি হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর ওপর এভাবে হামলা হলে সাধারণ ভোটাররা কতটা নিরাপদ?
বর্তমানে পুরো ভালুকা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন। এর ফলে কার্যত পুরো ভালুকা ‘শাটডাউন’ অবস্থায় রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে থেমে থেমে এখনো সংঘর্ষ চলছে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
জে আই