দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রোববার দুপুরে তাদের কয়েকজন নারী কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছিলেন। এ সময় বিএনপি সমর্থকরা তাদের বাধা দেন। একপর্যায়ে নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের নারীসহ পাঁচজন আহত হন বলে দাবি করেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল। তিনি বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের বারবার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের নারী কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এমনকি কোরআন শরীফ ছুঁইয়ে শপথ করানোর অভিযোগও তোলা হয়। বিষয়টির সত্যতা জানতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জামায়াতের পুরুষ কর্মীদের ডেকে এনে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে বহিরাগত লোকজন লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ বিএনপির।
আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ আমাদের আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
জে আই