দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে ভোটের মাঠে নেমেছেন মোট ২১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের ১৭ জন এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
বুধবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলায় মোট ভোটার ১১ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮০ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৫৩ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৪ জন।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণ অধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জনতার দল ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থীরা তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শরীয়তপুর-১ পালং ও জাজিরা আসনে স্বতন্ত্রসহ মোট আটজন প্রার্থী রয়েছেন। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৪ জন, নারী ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮০৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১০ জন। এখানে ১৩৯টি ভোটকেন্দ্রের ৭২৯টি কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম, রিকশা প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, ট্রাক প্রতীকে গণ অধিকার পরিষদের ফিরোজ আহমেদ, শাপলা কপি প্রতীকে জাতীয় নাগরিক পার্টির আব্দুর রহমান, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তোফায়েল আহমেদ, একতারা প্রতীকে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির নূর মোহাম্মদ মিয়া, ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এবং মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শরীয়তপুর-২ নড়িয়া ও সখিপুর আসনে স্বতন্ত্রসহ মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৪৫ জন, নারী ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩০৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার দুইজন। এই আসনে ১৩৬টি ভোটকেন্দ্রের ৮২৫টি কক্ষে ভোট গ্রহণ হবে। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির জেলা সভাপতি শফিকুর রহমান কিরণ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদ হোসেন, নাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির জসিম উদ্দিন, ট্রাক প্রতীকে গণ অধিকার পরিষদের আখতারুজ্জামান সম্রাট, বটগাছ প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মাহমুদুল হাছান, কলম প্রতীকে জনতার দলের পারভেজ মোশাররফ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইমরান হোসেন, কম্পিউটার প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন এবং সোফা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নাসির বন্দুকছি।
শরীয়তপুর-৩ ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪০ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৪ হাজার এক জন, নারী ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার দুইজন। এই আসনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের ৬৭৬টি কক্ষে ভোট গ্রহণ হবে। প্রার্থীরা হলেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির আব্দুল হান্নান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম এবং হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হানিফ মিয়া।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম বলেন, ‘শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচার চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন’।
এমএস/