দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে বেশ কিছু স্থল মাইনের চাপ প্লেট বা অগ্রভাগ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব চাপ প্লেট উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়ায় বিজিবির ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকা থেকে স্থল মাইনের চাপ প্লেটের মতো বেশ কয়েকটি অংশ পাওয়া গেছে। তবে এসব অংশে কোনো বিস্ফোরক উপাদান পাওয়া যায়নি। তবুও নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিজিবি ও সেনা সূত্র জানায়, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যৌথ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০টি চাপ প্লেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব অংশ হোয়াইক্যং বিজিবি ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিজিবির একটি সূত্র জানায়, একটি স্থলমাইন সাধারণত চারটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে অগ্রভাগ বা চাপ প্লেটই উদ্ধার হয়েছে। এই চাপ প্লেট মাটির ওপরে বা সামান্য নিচে স্থাপন করা হয় এবং চাপ পড়লেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।
এ ছাড়া একটি স্থল মাইনে থাকে কেসিং বা বাইরের আবরণ, যা ধাতু, প্লাস্টিক বা অন্যান্য উপাদানে তৈরি হয়ে বিস্ফোরক ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ ধারণ করে। মাইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বিস্ফোরক অংশ, যা বিস্ফোরণের মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। এর সঙ্গে থাকে বুস্টার চার্জ, যা মূল বিস্ফোরককে সক্রিয় করে।
এ ছাড়া ফায়ারিং মেকানিজম ও ডিটোনেটর বা ফায়ারিং পিন থাকে, যা সক্রিয় হলে বিস্ফোরক অংশে আগুন জ্বালিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়।
বর্তমানে উদ্ধার করা চাপ প্লেটগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জে আই