দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মনোনয়নপত্র ফিরে পেয়েছেন পিরোজপুর–২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) তার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাহমুদ হোসেন বলেন, আদালতের এই আদেশে তার প্রার্থিতা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই রায়ে আমার সমর্থক ও অনুসারীদের মধ্যেও নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসারের যাচাই-বাছাইয়ে ঋণখেলাপির অভিযোগে মাহমুদ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। পরে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করলেও সেখান থেকেও তার মনোনয়ন বহাল রাখা হয়নি। সর্বশেষ উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করলে আদালত তার প্রার্থিতাকে বৈধ ঘোষণা করেন।
এর আগে মাহমুদ হোসেন বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তিনি জাতীয় পার্টি (জেপি)-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর চাচাতো ভাই।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে মাহমুদ হোসেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালে তিনি ঢাকায় বিএনপিতে যোগ দেন এবং এরপর থেকেই তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে মাহমুদ হোসেন বলেন, মহামান্য আদালত সত্যের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এ রায় শুধু আমার একার নয়, পিরোজপুর–২ আসনের তৃণমূল পর্যায়ের লাখ লাখ মানুষের। তারা আমাকে ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই সিদ্ধান্তে পিরোজপুর–২ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এই আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ, একই আসনে মাহমুদ হোসেনের আপন ছোট ভাই, ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহিবুল হোসেন মাহিম জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জে আই