দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিচ্ছেন ৩৫ জন সাঁতারু। ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেল পাড়ি দিতে ৩৭ জন সাঁতারু নাম নিবন্ধন করলেও, চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৩৫ জন।
শনিবার ( ১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু করেন। সাঁতারের উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দীন। প্রতিযোগীরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে সাঁতার শেষ করবেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ষড়্জ অ্যাডভেঞ্চারথ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ডাকসুর সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। এর আগে তিনি একবার ডাবল ক্রসসহ ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন।
সবশেষ ২০২৩ সালে তিনি ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এছাড়া বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী সাঁতারু এমএসটি সোহাগী আক্তারও এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।
সপ্তমবারের মতো বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নিয়ে সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস সম্পন্ন করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল হলেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা থাকবে।
কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেনচারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, এবার দুইজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে এই সাঁতার পরিচালনা করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী রয়েছে। বাংলা চ্যানেল সাঁতারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে।
জে আই