দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কয়েকদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে ‘যশোরে তীব্র শীতে ঠান্ডাজনিত নানা রোগে একদিনে সদর হাসপাতালে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে’ এমন একটি সংবাদ।
ভাইরাল হওয়া ওই খবরে গোটা জেলা জুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি স্বজনদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে সদর হাসপাতালে ছুটে যান। তবে পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত খবরটি সম্পূর্ণ গুজব।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক (ইএমও) ডা. জোবায়ের আহমেদের বরাত দিয়ে ওই তথ্য ছড়ানো হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত বলেন, খবরটি তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং তিনি এতে বিস্মিত। তিনি জানান, ইএমও’র নামে প্রচারিত বক্তব্যটি ‘অথেনটিক’ নয়। শীতের কারণে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে ঠিকই, তবে ঠান্ডাজনিত কারণে একদিনে ১০ জনের মৃত্যুর কোনো রেকর্ড হাসপাতালের কাছে নেই।
হাসপাতালের রেজিস্ট্রেশন শাখার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জন শিশুসহ মোট ২৯০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে এদের মধ্যে কেউ মারা যাননি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, একই সময়ে যেসব রোগীর মৃত্যু হয়েছে তারা মূলত ফুসফুস ও হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তাদের বয়স ছিল আনুমানিক ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে এবং এসব মৃত্যু কোনোভাবেই ঠান্ডাজনিত নয়।
জে আই