দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভোরের কুয়াশায় ঢাকা মাঠ, ঘাসে শিশিরবিন্দু। এবার অবশ্য অন্যবারের চেয়ে শীত বেশিই অনুভূত হচ্ছে। শুধু গ্রামে নয়, হাড় কাঁপানো শীতে দিন কাটাচ্ছে নগরবাসীও। বেলা বাড়লেও আকাশ থাকে কুয়াশার চাদরে ঢাকা।
সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও সূর্য লুকিয়ে থাকে, ঠাণ্ডা বাতাসের রেশ যেন কাটে না। এমন শীতের প্রকোপ শেষ কবে দেখেছেন মনেও করতে পারছেন না নগরবাসী।
পুরো জানুয়ারি জুড়েই শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে জানিয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আরও ২-৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আর মাসজুড়েই তীব্র শীত থাকবে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অফিস বলছে, গত বিশ বছর আগে সবশেষ এমন কুয়াশার ঘনত্ব দেখেছে দেশ। বায়ু দূষণের মাত্রা বাড়ায় বায়ুস্তরে ভেসে থাকা ধুলিকণার সংস্পর্শে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়েছে।
আবহাওয়াবিদ জেবুন্নেছা জলি বলেন, বায়ুদূষণের কারণে বাতাসের ধূলিকণার সংস্পর্শে এসে বাড়ছে কুয়াশার ঘনত্ব।
এদিকে, পরিবেশবিদরা বলছেন, এল নিনো ও লা নিলোর প্রভাব থাকায় আবহাওয়ার বিস্তৃত পরিবর্তন দেখছে দেশ।
অপরদিকে, পরিবেশবিদরা বলছেন, চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এখনই সতর্ক না হলে ষড়ঋতুর দেশে হয়তো গরম ও বর্ষা ঋতুর অস্তিত্ব থাকবে।
উল্লেখ্য গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঢাকায় ছিল সর্বনিম্ন ১২.২ ডিগ্রি।
আরএ