দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পঞ্চগড়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের গতিবেগ ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার। চলতি মৌসুমে জেলায় এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এটি।
জানা যায়, তাপমাত্রার পারদ নিচে নামায় বেশি বিপাকে পড়েছে অসহায় মানুষেরা। কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় কাজে যেতে পারছে না অনেকেই। দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। কোনো কোনো দিন সূর্যের মুখ দেখা গেলেও উত্তাপ নেই। জেলা প্রশাসন থেকে ৫টি উপজেলায ও ৩টি পৌরসভায় প্রায় ৩০ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কম্বল বিতরণ অব্যাহত করেছেন। তবে শীতপ্রবণ এই জেলায় সামান্য এই শীতবস্ত্র যথেষ্ট নয়।
এই শীতে বিশেষ করে নদী হতে যারা পাথর এবং বালু উত্তোলন করেন তাদের কষ্ট সীমাহীন। কনকনে ঠান্ডায় ওই হিমেল বাতাসে পানিতে নামতে পারছে না অনেকে। অনেকে কষ্ট করে অনেকে নদীতে নামলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারছে না। ফলে তাদের দৈনন্দিন আয় কমে এসেছে। সংসারে শুরু হয়েছে অভাব-অনটন। কনকনে ঠান্ডার ভিড় বেড়েছে ফুটপাতের পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড়ের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে শীতজনিত রোগের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই শয্যা না পেয়ে মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। শীতে জ্বর, সর্দি, নিউমেনিয়া, বমি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে।
তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, পুরো জানয়ারি মাসজুড়ে আরও তাপমাত্রা নিচের দিকে নেমে আসবে। কয়েকটি মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা কবে আসবে। হিম বাতাসের সঙ্গে ঘন কুয়াশা বেড়ে যাবে।
আরএ