দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরে আবাসিক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকটে ভোগা গ্রাহকেরা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা এই বিক্ষোভে অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নিয়মিতভাবে গ্যাসের বিল পরিশোধ করলেও তারা সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না। গত পাঁচ বছর ধরে এই সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শেরপুর পৌর এলাকার বৈধ গ্রাহকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের ছড়াছড়ি থাকায় বৈধ গ্রাহকেরা নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ গ্রাহকেরা তিতাস অফিসের সামনে বিক্ষোভে নামেন।
বিক্ষোভকারীরা জানান, গ্যাস সংযোগ নেওয়ার শুরু থেকেই তারা নিয়মিত বিল দিয়ে আসছেন এবং তাদের কোনো বকেয়া নেই। তবুও প্রতিদিন সকাল ছয়টার দিকে গ্যাস চলে যায় এবং রাত বারোটার পর সামান্য চাপের গ্যাস আসে। এতে রান্নাবান্না শেষ করতে ভোর হয়ে যায়।
খরমপুর এলাকার বাসিন্দা মীর হোসেন বলেন, সকালে রান্না করবো গ্যাস নাই, রাতে রান্না করবো গ্যাস নাই। আমাদের ছোট ছোট সন্তান রয়েছে, তারা স্কুলে পড়াশোনা করে। তাদের খাবার প্রস্তুত করাই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা আরও বিপাকে পড়েছি।
নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা রহিম দুলাল বলেন, গ্যাসের লাইন থাকা সত্ত্বেও আমাদের সিলিন্ডার ব্যবহার করতে হচ্ছে। অথচ বাজারে এখন সিলিন্ডারও সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা ভীষণ দুর্ভোগে আছি।
এ বিষয়ে শেরপুর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. বদরুজ্জামান বলেন, শীতের কারণে গ্যাসের চাপ কম থাকায় এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আমাদের অফিসের আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ তুলনামূলক ভালো থাকলেও কিছুটা দূরের এলাকাগুলোতে চাপ কম পাওয়া যাচ্ছে। দিনের বেলায় গ্যাসের চাহিদা বেশি থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।
অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, কোথাও অবৈধ সংযোগ থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জে আই