দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে ভোলায় টানা ১৯ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্র জনতা।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সারাদিন জেলার ছয়টি উপজেলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে তারা। একই দাবিতে সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার ২২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিয়ে ইউএনও, এসিল্যান্ড, ওসি সহ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে আন্দোলনকারীরা। এসময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল গেট ও পকেট গেটে লোহার শেকল দিয়ে বড় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ, নৌবাহিনী, র্যাব ও কোস্টগার্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেষ্টা চালায়। তবে আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
আন্দোলনের সমন্বয়কারী মীর মোশারেফ অমি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। সামনে জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।
এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে অবস্থানকারী শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রবেশদ্বার তালাবদ্ধ করে রেখেছেন বিক্ষোভকারীরা।
এর আগে দুপুর থেকে স্থানীয়রা ভোলা-বরিশাল সেতু, আবাসিক গ্যাস সংযোগ, মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠাসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লংমার্চ করে আন্দোলনকারীরা বোরহানউদ্দিন সরকারি কলেজ মাঠে জড়ো হন। দুপুরে তারা একযোগে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ প্লান্টের দিকে অগ্রসর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রবেশে বাধা দেয়। এরপর সেখানেই কয়েক হাজার ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ শুরু করে।
অবরুদ্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রনজিৎ চন্দ্র দাস বলেন, প্রথমে আমাদের অবরুদ্ধ রাখা হলেও পরে বের হতে সক্ষম হয়েছি। সরকারি সম্পদ রক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রশাসন অবস্থান নিয়েছিল। আন্দোলনকারীদের দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
জে আই