দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে ঢাকার বাসাবো এলাকার একটি বাসায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৯ এর সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত দেলোয়ার হোসেন দিলীপ (৪৯) শহরের কান্দিপাড়া এলাকার মৃত রফিকুল ইসলাম নেপালের ছেলে ও মামলার দ্বিতীয় আসামি একই এলাকার হান্নান মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (২৮)।
র্যাব-৯ (সিপিসি-১) এর কোম্পানি কমান্ডার মো. নুরনবী জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব সদস্যরা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে জোরালো তৎপরতা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-৩ ও র্যাব-৯ এর সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে রাজধানী ঢাকার বাসাবো এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের দুইজনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত দিলীপ ও বাবুলকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় লায়ন শাকিল গ্রুপ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলিপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লায়ন শাকিল ও তার সহযোগিরা দেলোয়ার হোসেন দিলীপের লোকজনের ওপর এলোপাথারি গুলি চালায়। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এরপর থেকেই কান্দিপাড়া এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। ওইদিন রাতেই ফের গুলাগুলির ঘটনায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম নিহত হয়। নিহত সাদ্দামের পরিবারের অভিযোগ, রাতে দেলোয়ার হোসেন দিলীপ ও তার সহযোগিরা সাদ্দামকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সাদ্দামের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই দিলীপ ও তার সহযোগিরা সাদ্দামকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার নিহত সাদ্দামের পিতা মস্তু মিয়া বাদী হয়ে দেলোয়ার হোসেন দিলীপসহ ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫-৭ জনকে আসামি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
আরএ