দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ত্রিশালে হামলার শিকার হয়েছেন চার সাংবাদিক। এ ঘটনায় মামলার পর দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামে হামলার শিকার হন সাংবাদিকরা।
হামলায় আহতরা হলেন- ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সমকালের ত্রিশাল প্রতিনিধি মতিউর রহমান সেলিম, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সহযোগী সদস্য এস এম মাসুদ রানা (সকালের সময়), আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ (কালবেলা) ও রাকিবুল হাসান সুমন (নয়া শতাব্দী)।
পুলিশ ও আহত সাংবাদিকরা জানান, পূর্বপাড়া গ্রামের ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য সোহরাব উদ্দিন স্বপন এবং মনিরুজ্জামানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ইউপি সদস্য সোহরাব উদ্দিন স্বপনের লোকজন মনিরুজ্জামানের লোকজনের ওপর হামলা করে। এসময় সাংবাদিকদের দেখে তাদের ওপরও হামলা করে অন্তত ১৫-২০জন।
এসময় হামলাকারীরা গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে থাকা মোবাইল, ক্যামেরা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। কেড়ে নেওয়া হয় মোটরসাইকেলের চাবিও।
এক পর্যায়ে স্বপন মেম্বারের নির্দেশে সাংবাদিকদের বেধড়ক মারধর করে আটক করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন এসে তাদেরকে রক্ষা করে। তাদেরকে উদ্ধার করতে গেলে কালবেলার সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ ও নয়া শতাব্দীর সাংবাদিক রাকিবুল হাসান সুমনকেও মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে ত্রিশাল প্রেসক্লাবের অন্য সহকর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে। পরে আহত মতিউর রহমান সেলিম ও এস এম মাসুদ রানাকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
সমকালের ত্রিশাল প্রতিনিধি আহত মতিউর রহমান সেলিম বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্বপন মেম্বারের লোকজন হামলা করে। এতে আমার একটি পা ভেঙে গেছে। আমি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি। মামলা করেছি, ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি। এমন ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে স্বপন মেম্বারসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকিদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/অ