দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টাঙ্গাইলে পুলিশ টেলিকমের (বেতার) এএসআই শফিকুল ইসলাম বিরুদ্ধে ভুয়া টিএ বিল দাখিল করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য ও দেশ টিভির হাতে আসা সিসি বই ও সিডিআর কপি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, শফিকুল ইসলাম এলাকার বাইরে না গিয়েই বিভিন্ন থানায় এবং ঢাকায় গিয়েছেন বলে ভুয়া বিল দাখিল করে টাকা উত্তোলন করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে টাঙ্গাইল পুলিশ টেলিকম বেইজে যোগদান করার পর থেকে এএসআই শফিকুল ইসলাম নিয়মিত যাতায়াত না করেই টিএ বিল দাখিল করছেন। বিশেষ করে একদিনে একাধিক থানায় গিয়েছেন বলে দেখানো হলেও তার সিডিআর তথ্য পুলিশ লাইনে অবস্থানকারী হিসেবে প্রকাশ পায়।
দেশ টিভির হাতে আসা সিসি বইয়ের নম্বর ২২/২৪ অনুযায়ী, একই দিনে শফিকুল ইসলাম টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন থেকে দেলদুয়ার, মির্জাপুর, সখীপুর, বাসাইল, নাগরপুর এবং যমুনাসেতু পূর্ব থানায় গিয়েছিলেন বলে দেখা যায়, অথচ সিডিআর তথ্য তার অবস্থান পুলিশ লাইনে দেখিয়েছে। আরেকটি সিসি বইয়ের সিরিয়াল নম্বর ১১৯৫৫২২ অনুযায়ী, একইভাবে পুলিশ লাইনে থেকে ধনবাড়ী, মধুপুর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, গোপালপুর, ঘাটাইল ও যমুনাসেতু পূর্ব থানায় ভ্রমণের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, শফিকুল ইসলাম ও তার অধীনে থাকা বেতার সদস্যরা দায়িত্ব পালন না করে বাড়ি থেকে কাজ করেন এবং ওয়াকিটকির সেট ইস্যু করতেও তার কাছে টাকা দিতে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ সদস্য জানান, বেতার অফিসে আসার পরিবর্তে শফিকুলের মাধ্যমে টাকা দিয়ে দায়িত্ব ম্যানেজ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে কথা হলে এএসআই শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং তিনি কোনো ভুয়া টিএ বিল করেননি।
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি জানার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।’
পুলিশ বেতার টাঙ্গাইল বেইজের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদল সরকার বলেন, ‘আমি জেলায় নতুন যোগদান করেছি এবং টিএ বিল সংক্রান্ত বিষয়টি আমার জানা নেই।’
/অ