দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় অনুমতি ছাড়া রাস্তার পাশের সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় ঠিকাদারের প্রতিনিধি রেজাউল হাসান ভূইয়া সুমনকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। মাসকা ইউনিয়নের দিগলী–আলমপুর সড়কের নির্মাণকাজের অজুহাতে ১৭ ও ১৮ নভেম্বর এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির ৩১টি গাছ কেটে নেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ২৩ নভেম্বর মাসকা ইউনিয়নের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল জলিল বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালে কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গাছ কাটার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈম ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই কমিটি ইতোমধ্যেই গাছ কাটার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।
এদিকে মামলা হওয়া সত্ত্বেও ২৪ নভেম্বরও একই সড়ক থেকে আরও তিনটি গাছ অবৈধভাবে কেটে ফেলা হয়। এসব গাছ জব্দ করেছে প্রশাসন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছ কাটার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। এলজিইডির প্রকৌশলী আল আমিন সরকার মাসকা ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বেও থাকায় তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তবে এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি আগে জানতেন না।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, গাছ কাটার সময় বাধা দিতে গেলে রাজনৈতিক উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়। এক ওয়ার্ড-স্তরের রাজনৈতিক নেতা গাছ কাটার বিরোধিতা করায় একজনকে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে কাটা ৩১টি গাছ রাতে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তা আটকায় এবং পরে প্রশাসন জব্দ করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, মামলা হওয়ার পর তদন্ত চলছে। তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএস/