দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালানোর কারণে রাজশাহীতে মহিলা দলের এক নেত্রী এবং তার বোনকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা ও লাথি মারার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় মহানগরীর একটি রেস্তোরাঁয় হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এছাড়া মারধরের শিকার বিএনপি নেত্রীর বোন নূরবানু রাজশাহীর কাটাখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভানেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন এবং তার বোন নূরবানু বেগমকে মারধর করেন স্থানীয় জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে মারধরের শিকার দুই বোন ছাড়াও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল হক মিলন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা হাবিবা, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইটসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রফেসর আব্দুল রাজ্জাক।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১১ নভেম্বর নির্বাচনি প্রচারণা থেকে ফেরার পথে নিলুফার ও তার বোন নূরবানুকে জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম দেখতে পেয়ে ডাকেন। তিনি দুজনকে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে বলেন। এতে রাজি না হলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন।
বিএনপি নেত্রী নিলুফার বলেন, নুরুল একপর্যায়ে প্রথমে স্যান্ডেল খুলে মারতে শুরু করেন এবং আমার বোনকে ঘাড়ে আঘাত করেন। এরপর নুরুল দৌড়ে এসে আমার পেটে লাথি মারেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি অভিযুক্ত নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ওই আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শফিকুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে- রাজনৈতিক বিতর্কের ভেতরেও নাগরিকদের মৌলিক নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে এবং কাউকে হুমকি-ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন করা চলবে না। কেউ জোর-জবরদস্তি করে এক দলের কর্মীদের অন্যদলের হয়ে ভোট চায়তে বাধ্য করতে পারে না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী নাকি আগে নৌকায় ভোট দিয়েছে, এমন কথা বিএনপি নেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন এলাকায় প্রচার করেছেন। এ ধরনের গুজবের কারণে এলাকায় আমার সম্মানহানি ঘটেছে। আমি জামায়াতের রাজনীতি করি। আমি তারই প্রতিবাদ করেছিলাম। উত্তেজনার মুহূর্তে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির সামান্য ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি আমরা স্থানীয়ভাবে মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।
কাটাখালী থানার ওসি আবদুল মতিন বলেন, নূরবানু বেগম যে জিডি করেছেন সেটি আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালত তদন্তের অনুমতি দিলে আমরা কাজ শুরু করব।
/অ