দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা, ককটেল বিস্ফোরণ ও দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দৌলতপুর সরকারি মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে দৌলতপুর বাজার প্রদক্ষিণ করে বিএনপির স্থানীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। বিক্ষোভে কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নিয়ে ‘ভাঙচুর ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ হও, গণতন্ত্র রক্ষা করো’ স্লোগান দেন।
বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, সোমবার (৩ নভেম্বর) দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লাকে প্রার্থী ঘোষণা করার পর তার সমর্থকেরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেন। কিন্তু রাতেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউর রহমান মাসুমের বাড়ির সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে, এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ছাড়া দৌলতপুরে বিএনপির আরও তিনটি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়, ধানের শীষ প্রতীকসহ ব্যানার-ফেস্টুনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দলীয় নেতাকর্মীদের হুমকি ও গালিগালাজ করার অভিযোগও উঠেছে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, এসব হামলার পেছনে ঢাকা উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক ও কুষ্টিয়া-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী শরিফ উদ্দিন জুয়েলের সমর্থকেরা জড়িত। উদ্দেশ্য ছিল প্রার্থী ঘোষণার পর দলীয় বিভাজন তৈরি করা।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউর রহমান মাসুম বলেন, ‘আমার বাড়ির সামনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। পরিবার আতঙ্কে আছে। কিন্তু ভয় দেখিয়ে কেউ আমাদের দমাতে পারবে না।’
বিক্ষোভে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তারা দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে সতর্ক করেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে কঠোর আন্দোলনে নামা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলই সহিংসতার মূল কারণ।
এমএস/