দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নড়াইলে চাঁদার দাবিতে আসাদুল খন্দকার নামে এক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়েরের পরদিনই তার বাড়িতে ককটেল হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদরের আগদিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আসাদুল খন্দকারের বাড়িতে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের সোহরাব খন্দকারের ছেলে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ তারিখ রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে ব্যবসায়ী আসাদুলের মুঠোফোনে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দ্বিতীয় দফায় ঘণ্টা খানেক পর আবারও ফোন করে চাঁদা না দিলে বোমা মারার হুমকি দেওয়া হয়।
পরের দিন (২৮ অক্টোবর) সদর থানায় ভুক্তভোগী একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরদিনই ব্যবসায়ীকে হুমকি দাতারা তার বাড়িতে ককটেল বোমা মেরে তাদের কথা রেখেছেন। আর বিস্ফোরণ ঘটানোর পর হুমকি দাতারা পুনরায় আসাদুলকে ফোন করে নিশ্চিত করেন, তারা কথা রেখেছেন।
হুমকিদাতার কল রেকর্ডে ভুক্তভোগী আসাদুলকে বলতে শোনা যায়, 'আসাদুল, তুই বলছিলি যা পারি করতে। দেখছিস পারি কি না? ফোন নম্বর নিয়ে যা পারিস কর।’
তখন ঘটনাস্থলে সদর উপজেলার বিছালী পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম থাকায় তিনি ভুক্তভোগী আসাদুলের ফোনটি নিয়ে হুমকিদাতার সঙ্গে নিজের পরিচয় দিয়ে কথা বলেন, ‘ভালো আছেন? কি বলছেন ভাইকে (আসাদুল), প্রশ্নের জবাবে উত্তর আসে, কি বলছি সে বলেনি আপনাকে? তার থেকে জেনে নেন।'
ভুক্তভোগী আসাদুল খন্দকার বলেন, 'আমার ছেলে-মেয়ের তথ্য দিয়ে আমাকে মুঠোফোনে দুই দফায় হুমকি দেওয়া হয়। ৬ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে বোমা মারার হুমকি ও দেয় সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার হুমকিদাতাদের মোবাইল নম্বর নিয়ে সদর থানায় ঘুরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে না পেরে অভিযোগ দিয়ে আসি। অভিযোগ দিয়ে আসার পর পুলিশ আমার খোঁজ না নিলেও সন্ত্রাসীরা ঠিকই বোমা (ককটেল) মেরে গেছে।'
সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. জামিল কবির ঘটনাস্থল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
/অ