দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আগামীর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যের প্রশ্নে বিএনপি এবং জামায়াত একভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার (২৬ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। সারজিস আলম বলেন, আগামীর বাংলাদেশে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, মৌলিক সংস্থা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এককভাবে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্ব দিতে পারবে না।
সেই জায়গায় তরুণ প্রজন্ম ও এনসিপির অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, যেদিন জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে, যেদিন প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে আদেশ জারি হবে এবং গণভোটে যদি জুলাই সনদের পক্ষে রায় আসে—তখন কোনো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বিবেচনায় নেওয়া হবে না। সেই নিশ্চয়তা পেলেই এনসিপি নির্দ্বিধায় জনগণের পক্ষ থেকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে। তবে তার আগে কোনো নিশ্চয়তা ছাড়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে কাগজে লেখা সনদে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সারজিস আলম বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন অনেক ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারিতা করছে এবং পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে। অভ্যুত্থান-পরবর্তী কমিশনের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয়। যদি শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপিকে রাজপথে নামতে হয়, তবে প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবিতেও আন্দোলনে নামবে এনসিপি। তিনি বলেন, শুধু কয়েকটি আসনকে সামনে রেখে সংসদে যাওয়া বা জোট করার চিন্তা করছে না এনসিপি।
কোনো রাজনৈতিক দল যদি জুলাই সনদের প্রতিটি সংস্কার বাস্তবায়ন, বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষা, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কমিটেড থাকে—তাহলেই তাদের সঙ্গে ঐক্য হতে পারে। জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের যুগ্ম সদস্য সচিব আহনাফ সাঈদ খান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক ও ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, কেন্দ্রীয় সংগঠক খাইরুল কবির, সংগঠক সাঈদ উজ্জ্বল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দিদার শাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জে আই