দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেম বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নোয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক ফজলে রাব্বী অভিযোগ করে বলেন, সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের কাসেম বাজার জামে মসজিদে শনিবার ছাত্রশিবির দারসুল কুরআন প্রোগ্রামের আয়োজন করে। সেখানে যুবদল হামলা চালায়। গতকালের হামলার প্রতিবাদে রোববার আসরের নামাজের পর আবারও একই মসজিদে কুরআন তালিমের কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রশিবির।
রোববার আসরের নামাজের পর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মসজিদে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। পরে মসজিদে তালা মেরে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। ইট পাটকেল নিক্ষেপের কারণে আমাদের ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদের আনতে অ্যাম্বুলেন্স গেলে তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে নোয়াখালী শহর শিবিরের অফিস সম্পাদক তানভীর সিয়াম, আইন সম্পাদক নাঈম হোসেন, ছালাউদ্দিন, কেরামতিয়া মাদরাসার ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত আলীসহ ১৬ জন গুরুত্বর আহত হয়।
স্থানীয় একাধিক বিএনপির নেতাকর্মী অভিযোগ করে বলেন, আসরের নামাজের পর শিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদে স্লোগান দিয়ে দলীয় কার্যক্রম শুরু করে। এতে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দিলে তারা উল্টো হামলা চালায়। এ সময় নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এর মধ্যে নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. আক্তার, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমানসহ ৮ জন নেতাকর্মী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার বলেন, আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। তৃতীয় কোনো পক্ষ এখানে ঢুকে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। বিগত বছরগুলোতে বিএনপি- জামায়াত এক সঙ্গে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। আমরা কোনো সংঘাত চাই না।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আরএ