দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জুলেখা বেগম (৫৫) ও তার কলেজছাত্রী মেয়ে তানহা আক্তার মীম (১৯) হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুলিশ উদঘাটন করেছে।
হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তাদের ফুফাতো ভাই পারভেজ। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পারভেজকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত পারভেজ দুই মাস আগে সৌদিআরব থেকে দেশে ফিরেন এবং দেশে এসে অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়েন। অভাবের তাড়নায় তিনি তার মামার বাসা থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন পারভেজ একটি চাকু নিয়ে মামার বাড়িতে যান।
জানা যায়, মীমকে নিয়ে দ্বিতীয় তলায় ওঠার সময় তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। ক্ষিপ্ত হয়ে পারভেজ মীমকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও গলায় চাকু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর তিনি নেমে তার মামী জুলেখাকে প্লেট এবং টি-টেবিল দিয়ে আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করেন। এরপর আলমারি ভেঙে স্বর্ণালঙ্কার লুট করেন।
পারভেজ খুনের পর রামগঞ্জের একটি খালে জামাকাপড়ের ব্যাগ ফেলে দেন এবং তার শ্বশুর বাড়িতে চলে যান।
পুলিশ বলেছে, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর তারা তৎপরভাবে তদন্ত চালিয়ে শেষ পর্যন্ত পারভেজকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট হলো, গত ৯ অক্টোবর রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের খামার বাড়িতে জুলেখা ও মীমকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এমএস/