দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় সাতপাই উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এ বছর উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় একজনই পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, ওই পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, খায়রুল ইসলাম নামের একজন শিক্ষার্থী এ প্রতিষ্ঠান থেকে গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে ফেল করেন। সে এ বছর আবার প্রতিষ্ঠানটি থেকে ফরম ফিলাপ করে ওই এক বিষয়ে সৈয়দপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।
সূত্রটি আরো জানায়, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে শিক্ষকরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৭ জন শিক্ষক এবং দুইজন কর্মচারী রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, দুই একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী নিয়ে কোনোরকমে চলছে এ প্রতিষ্ঠান। কলেজের শিক্ষকরাও নিয়মিত আসেন না। ক্লাস ঠিকমতো হয় না। প্রতিদিন আগেই ছুটি হয় প্রতিষ্ঠানটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চান না কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই তিনি শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে অনাগ্রহী। আমরা স্যারকে একাধিকবার বলেও তিনি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাতে চান না। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির জমি নিয়েও রয়েছে জটিলতা। ১০ বছর আগে আমদের নিয়োগ দেওয়া হলেও আমরা কোনো বেতন-ভাতা পাই না।
অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থী খাইরুল ইসলাম বলেন, আমি ১৪০০ টাকা দিয়ে কলেজে ভর্তি হই। এরপর ক্লাস করার জন্য অধ্যক্ষ স্যারকে কল দিলে তিনি বলেন যে তুমি বাসায় এবং প্রাইভেটে পড়।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হাকিম এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, কলেজটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন মাত্র শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে ফেল করার বিষয়টি জেনেছি।
আরএ