দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর সহকারি কমিশনার (ভ্যাট) একে এম জামিউল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, হয়রানি ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাঈদ হাসান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, গত ৮ (অক্টোবর) বুধবার বিকেল ৪টায় কুয়াকাটা হোটেল মোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত হোটেল সৈকতের রিসিপশনে বসে সহকারী কমিশনার এ কে এম জামিউল আলম ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে হোটেল সৈকতের ম্যানেজারের সঙ্গে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করেন। ওই সময় হোটেল সৈকতের মালিক উপস্থিত না থাকায় ম্যানেজার নিরুপায় হয়ে হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতির সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করেন। সভাপতির কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ভ্যাট কর্মকর্তা অত্যন্ত অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। যার প্রমাণস্বরূপ ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পটুয়াখালী হতে অপসারণ এবং তার এই অসদাচরণের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, আমরা আইন মেনে নিয়মিত ভ্যাট দিই। তারপরও ওই কর্মকর্তা বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের হয়রানি করছেন। তার এমন আচরণে পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ১৬টি পেশার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
হোটেল মালিকরা অভিযোগ করেন, যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকল হোটেল-মোটেলগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভ্যাট) একে এম জামিউল আলমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি।
আরএ