দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাইবান্ধায় তিস্তা, ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়াসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বেড়েছে। লোকালয় ও নিম্নাঞ্চলসহ নতুন নতুন জেগে ওঠা চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হচ্ছে। এতে বন্যা আতঙ্কে আছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা সদর উপজেলার নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ঘাঘট নদের পানি বিপৎসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার, ফুলছড়ি পয়েন্টে যমুনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ও চক রহিমাপুর পয়েন্টে করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৪০৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের নবাবগঞ্জ গ্রামের আমিনুল ইসলাম বলেন, গত দুদিন থেকে তিস্তার নদীর পানি ব্যাপকহারে বেড়েছে। মরিচ ও পাটের জমি পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
একই উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের কাজিয়ার চরের বাসিন্দা জামিউল মণ্ডল বলেন, কাল রাত থেকে অনেক পানি বেড়েছে। গত কয়েকদিনে অনেক আবাদি জমি নদীতে ভেঙে গেছে। তিস্তা নদীর ভাঙন এখনো অব্যাহত আছে।
সদর উপজেলার গোমাট গ্রামের আরিফুল ইসলাম বলেন, বাড়ির চারদিকে পানি। ঠিকমতো বের হওয়া যাচ্ছে না। সবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পানি যে হারে বাড়ছে তাতে সবজিক্ষেত পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। বন্যা হলে তো বাড়িতেও থাকা কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়বে।
গাইবান্ধা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হক বলেন, উজানের ঢল আর বৃষ্টির পানিতে জেলার সবগুলো নদ-নদীর পানি বেড়েছে। তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে নদীভাঙন নেই বললেই চলে। যেসব এলাকায় নদীভাঙন হচ্ছে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।