দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরিশালে মৃৎশিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১২ জন মৃৎশিল্পীকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর রজনীগন্ধা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ১৬তম দক্ষিণাঞ্চলীয় মৃৎশিল্পী সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৬৫ জন মৃৎশিল্পী অংশ নেন। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ছিল সম্মেলন, মৃৎপণ্য প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন আজীবন সম্মাননা তুলে দেন শরীয়তপুরের প্রবীণ মৃৎশিল্পী কালীপ্রসন্ন পালের হাতে। তিনি বলেন, ‘মৃৎপণ্য যেমন ঐতিহ্য বহন করে, তেমনি পরিবেশবান্ধবও। ব্যবহার বাড়লে মৃৎশিল্পীরা উপকৃত হবেন।’
বক্তারা মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি উদ্যোগ ও বাজার সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক ড. উদয় শঙ্কর বিশ্বাস বলেন, ‘মৃৎশিল্পীদের বাঁচাতে হলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর ব্যবহার বাড়াতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার তৌফিক, চিত্রশিল্পী ড. কাজী মোজাম্মেল হোসেন, দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শাহ সাজেদা ও ভানু লাল দে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সুশান্ত ঘোষ।
সম্মাননা পাওয়া মৃৎশিল্পীরা হলেন:
আজীবন সম্মাননা : কালীপ্রসন্ন পাল (শরীয়তপুর)
সংগ্রামী সুধীর সেন সম্মাননা (গুনরাজ বিভাগ) : সুজন চন্দ্র পাল
সাথী রানী দে সম্মাননা (মৃৎপাত্র বিভাগ) : রানী বালা পাল
শিক্ষক নারায়ণ সাহা সম্মাননা (শখের হাঁড়ি বিভাগ) : সঞ্জয় কুমার পাল (রাজশাহী)
শহীদজায়া বন্দনা গুপ্তা বিশেষ সম্মাননা : শোভারানী পাল (টাঙ্গাইল)
বিমলা নাথ সম্মাননা (মনসা ঘট বিভাগ) : রুমা রানী পাল
মুক্তিযোদ্ধা কুমুদ বন্ধু রায় চৌধুরী (নাটু বাবু) সম্মাননা (মৃৎপুইন বিভাগ) : যুবরাজ পাল
সুনিতি রানী দাস সম্মাননা (মৃৎ পুতুল বিভাগ) : খোকন চন্দ্র পাল (ময়মনসিংহ)
ফজিলাতুন্নেছা বেগম সম্মাননা : মায়া রানী পাল
শৈলবালা ঘোষ সম্মাননা (গুনরাজ বিভাগ) : গণেশ চন্দ্র পাল
মা মৃৎশিল্প স্মারক সম্মাননা : উত্তম পাল
দৈনিক শাহনামা মৃৎশিল্পী সম্মাননা : যুথিকা পাল (গৈলা পালপাড়া)
অনুষ্ঠানের আগে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করে প্রান্তিক সংগীত বিদ্যালয় ও চারুকলার শিক্ষার্থীরা।
এমএস/