দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের ‘জনস্বাস্থ্য’ উপখাতে অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের ময়মনসিংহ কার্যালয়ের চার সদস্যের একটি তদন্ত দল।
অভিযানকালে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কবির হোসেন সরদারকে পাওয়া যায়নি। দাপ্তরিক কাজে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে কর্মকর্তারা জানান। তবে তদন্ত দল জেলা পরিষদের বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট নথি সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে পরে সরেজমিনে অনুসন্ধানে যায়।
দুদক ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বুলু মিয়া বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে নথি যাচাই-বাছাই ও মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করছি। প্রতিবেদন তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হবে। এরপর কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তদন্তে জানা গেছে, ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালি ইউনিয়নে এক ব্যক্তির নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পেয়েছে। এমনকি অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠান ও কোনো আবেদন না করা সত্ত্বেও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে। পারিবারিক কবরস্থানকেও ‘সামাজিক প্রতিষ্ঠান’ দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কবির হোসেন সরদার স্থানীয় এক ব্যক্তি আইনুল হকের সঙ্গে যোগসাজশ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের অজান্তে বরাদ্দ দিয়েছেন। পরে সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি জানতে পেরে জেলা পরিষদে গেলে তাদের নতুন করে আবেদন করতে বাধ্য করা হয়।
একাধিক প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে জেলা পরিষদের প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছে।
এদিকে অভিযানের বিষয়ে জানতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কবির হোসেন সরদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
/অ