দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টঙ্গীতে কেমিক্যাল কারখানার আগুন নিভাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদের নেত্রকোনার গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের একমাত্র নির্ভরশীল ব্যক্তিকে হারিয়ে বারবার মুর্চা যাচ্ছেন বৃদ্ধ মা, একমাত্র বোন ও বড় ভাইয়েরা। তাদের আহাজারি দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছেন না এলাকাবাসীও।
স্ত্রী মনিরা আক্তার, শিশু ছেলে নাবিল (১১), মেয়ে হুমায়রা আক্তার (৯) ও ওহী আক্তার (৫) নামে তিন শিশু সন্তান রেখে গেছেন শামীম।
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতী (বড়বাড়ি) গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে তিনি। ২০০০ সালে কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০০৪ সালের ১৬ আগস্ট শামীম চাকরিতে যোগ দেন। ৬ ভাই ও এক বোনের বৃহৎ পরিবারে একমাত্র শামীমই সরকারি চাকরি করতেন। অন্য ভাইয়েরা সবাই কৃষক। চাকরিতে যোগদানের দু-তিন বছর পূর্বে শামীমের বাবা মারা যান। শামীমকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন তার পরিবারের লোকজন।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, কৃষক পরিবারের সন্তান শামীম ছোটবেলা থেকেই ছিলেন পরোপকারী, বন্ধু বৎসল ও বিনয়ী।
শামীমের বন্ধু মানিক মিয়া বলেন, আমরা একসঙ্গে লেখাপড়া করেছি। শামীম ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো ছিল। সব সময় মানুষের উপকারে এগিয়ে যেতো। তার মৃত্যুতে আমরা যেমন শোকাহত তেমনি গর্বিতও। কারণ সে মানুষের জানমাল রক্ষা করতে গিয়ে নিজেই জীবন দিয়েছে।
শামীম আহমেদের বড় ভাই সবুজ মিয়া জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।
আরএ