দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান স্থানীয়দের বাধার মুখে সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতা প্রতিবাদে প্রধান সড়কে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তারা টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়।
এতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ এর উচ্ছেদ অভিযানের কর্মীরা যানবাহনসহ আটকা পড়েন। এসময় প্রধান সড়কের পাশাপাশি বিমানবন্দর সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এরপরই বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ও বিক্ষুদ্ধ জনতা যার যার অবস্থান থেকে সরে গেলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর ৬ নম্বর ঘাট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানে যান বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। সোয়া ১১টা পর্যন্ত চলে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে উত্তেজনা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন।
এদিকে শুক্রবার সকালে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে শহরের প্রধান সড়করে পাশাপাশি বিমানবন্দর সড়কে নেমে আসে শত শত স্থানীয় জনতা। শুরু করে বিক্ষোভ, ৪ রাস্তার মোড়ে দেওয়া হয় ব্যারিকেড, জ্বালিয়ে দেওয়া হয় টায়ার। গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়কে ঠেলা গাড়ি ফেলে তৈরি করা হয় প্রতিবন্ধকতা।
স্থানীয় জনতার দাবি, এই উচ্ছেদ কার্যক্রম অবৈধ। জোর করে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালিয়ে বসতি ছাড়া করছে বিআইডব্লিউটিএ। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাদের সামাল দিতে ঘটনাস্থলে হাজির হন জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
তারাও বলছেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়ে পুরো কক্সবাজারবাসী আতঙ্কের পাশাপাশি নানা প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এটা করা হচ্ছে কিনা, তা এখন ভেবে দেখার বিষয় বলেন তারা।
কক্সবাজার সদর আসনের সাবেক এমপি লুৎফুর রহমান কাজল এ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য আসেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত দেখে সাড়ে ১১টার দিকে উচ্ছেদ কার্যক্রম না চালিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা। অনেক উচ্ছেদ অভিযানে আসা সরকারি কর্মকর্তাদের হেনস্থাও করে স্থানীয় জনতা।
আরএ