দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এক মাসের ব্যবধানে গাংনী থানা থেকে মাত্র তিনশ’ গজ দূরে তিনটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আবারও গণডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন পথচারীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে গেছে ডাকাতরা।
মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে গাংনী-ধানখােলা সড়কের বিল্লাল নার্সারির কাছে হারেজ মোড়ে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাদের কাছে হাতবোমা ও দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্র ছিল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, ২০ জন পথচারীর কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লুট করেছে ডাকাত দল। ইয়াসির আরাফাত আলীর কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা, আব্দুল হালিমের কাছ থেকে ৬০০ টাকা, শাহ জামাল আলীর কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা, রেজিয়া খাতুনের কাছ থেকে ৭০০ টাকা, মিন্টু হোসেনের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা, মহব্বত আলীর কাছ থেকে ২২শ’ টাকা, মিন্টু আলীর কাছ থেকে পৌনে ১০ হাজার টাকা, কুরসিয়া খাতুনের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকাসহ আরও অনেকের কাছ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নেই ডাকাতরা।
ভুক্তভোগী এসব ব্যক্তিদের বাড়ি গাংনী উপজেলার ধানখোলা, মহিষাখোলা ও আড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের জানান, ৭-৮ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হঠাৎ রাস্তা অবরোধ করে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তারা পথচলতি অন্তত ২০ থেকে ২৫ জনের কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতরা প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে পুরো ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
ঘটনার খবর পেয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, “এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ডাকাতি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।”
এদিকে এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতের বেলা চলাচলকারী সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত পুলিশি টহল জোরদার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার দাবিতে এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস পূর্বে একই স্থানে ককটেল বিস্ফােরণ ঘটিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন পর পুড়াপাড়া জুগিন্দা রাস্তাতেও একই ঘটনা ঘটে। এভাবে একের পর এক ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আরএ