দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরের সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২টায় সদর উপজেলার আলোছায়া সিনেমা হল সংলগ্ন প্রবীণ হিতৈষী সংঘের জেলা কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির বলেন, ‘শরীয়তপুরের মনোহর বাজার-ইব্রাহীমপুর ফেরিঘাট সড়কে একই স্থানে এবং একই সময়ে দুটি প্রকল্প দেখিয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ২৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এতে জড়িত রয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৪ ফুট প্রশস্ত ও ৬.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক নির্মাণের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়। পরে নির্মাণ কাজ ধীরগতিতে চলায় এবং অসম্পূর্ণ রেখেই ২০২২-২৩ অর্থবছরে একই স্থানে ১৮ ফুট প্রশস্ত আরেকটি প্রকল্প (PMP) দেখিয়ে ২৪ কোটি টাকার নতুন কার্যাদেশ অনুমোদন করা হয়।’
তিনি অভিযোগ করেন আরও বলেন, ‘দুটি প্রকল্পের কাজ প্রায় একই রকম হলেও বাস্তবে একটি মাত্র রাস্তা নির্মিত হয়েছে এবং ২০২৪ সালের জুন মাসে উভয় প্রকল্পের পূর্ণ বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া নির্মাণকাজে বিটুমিনের যে পরিমাণ নির্ধারিত ছিল (১৩৫ মিমি), তার চেয়ে অনেক কম (মাত্র ৭০ মিমি) ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে সরকারের আরও প্রায় ৭-৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলায় কয়েকগুণ বেড়েছে জনদুর্ভোগ। অথচ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা এ সমস্যার কোনো কার্যকর সমাধান দিচ্ছেন না।’
এই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কাউসার মৃর্ধা (সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব শরীয়তপুর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন), ফাতেমা ইয়াসমিনসহ (সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরীয়তপুর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) প্রমুখ।
/অ