দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার সহ ২০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছে ৫ জন।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাউজান পৌরসভার সত্তরঘাট এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খোন্দকারের অনুসারীরা জানিয়েছেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষের লোকজনই তাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সংসদ সদস্য এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার রাউজান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদের কবর জিয়ারতে যাচ্ছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারীরা ৯ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি এবং গণ সমাবেশ উপলক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে সত্তরঘাট এলাকায় পৌঁছায়। মুখোমুখি অবস্থান থেকে মুহূর্তেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। গোলাম আকবর খোন্দকারের গাড়িবহরে থাকা একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং তার গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা গত ১৭ বছর এলাকায় থাকতে পারিনি। জেল জুলুমে অতিষ্ট ছিলাম। আজকে আমরা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও রাউজান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কবরস্থানে যাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই আমাদের ওপর হামলা হয়। আমাদের কবর জিয়ারত করতে যেতে দেওয়া হয়নি। গোলাম আকবর খোন্দকারসহ বেশ কয়েকজন বিএনপি ও যুবদলের নেতারা গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের বহরে থাকা মোটরসাইকেল ছিনতাই করে নিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পরপরই গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারীরা ঘটনাস্থলে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন। বর্তমানে রাউজানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির তৎপরতা আছে। এ ঘটনায়রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।
এফএইচ/