দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রংপুর সিভিল সার্জন ডা. শাহিন সুলতানাকে ‘মবের’ হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক ইমরান আহমেদের বিরুদ্ধে।
রোববার (১৩ জুলাই) জেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইমরান আহমেদ।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক মিটিং জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই সভা চলে দুপুর দেড়টা পযন্ত। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাারা উপস্থিত ছিলেন।
সিভিল সার্জন জনান, গত ১১ এপ্রিল তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রাধারানী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আতাউর রহমান বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ সময় চিকিৎসক সাবরিনা মুসরাত জাহান তাকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
এ সময় আতাউর রহমানের ছেলে তাহমিদ সরকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তারাগঞ্জের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে আরও চার থেকে পাঁচজনসহ চিকিৎসক সাবরিনাকে গালাগাল ও শরীরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় তাহমিদসহ অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে তারাগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন ওই চিকিৎসক।
তিনি আরও বলেন, এই মামলা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে মামলা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। আমি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি মামলা প্রত্যাহার করতে চান না। আমি সেই বিষয়টি জানিয়ে মিটিংয়ে বলেছি, যেহেতু মামলা হয়েছে মামলা মামলার মতো চলুক। তখনই ইমরান এই কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী একটি সূত্রে ভাষ্য, দুপুর একটার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালের বক্তব্যের আগে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সাবরিনা মুসরাত জাহানের দায়ের করা একটি মামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তখন ডিসি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সিভিল সার্জনের।
তবে ইমরান আহমেদের ভাষ্য, তারাগঞ্জের একটা ইস্যু ছিল। এটা নিয়ে আমি আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে তুলেছি। আমাদের ছেলেদের ওপর এক ধরনের অন্যায় হয়েছে। এটা যেন সমাধান করে দেয় এভাবে বলছিলাম ওখানে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল দাবি করেন, কেউ কাউকে কোনো হুমকি দেননি। কথা কাটাকাটি হয়নি। এ সকল গুজব কেন ছড়াচ্ছে আমি জানি না।
আরএ