দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি নতুন দল গঠন করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিলনা। আমাদের লক্ষ ছিল এই দেশটাকে পুনগঠন করা। এই দেশটাকে ভালোমত গঠন করা। বিদ্যমান দলগুলো এই কাজগুলো করলে আমাদের নতুন দল গঠন করার প্রয়োজন ছিলনা। কিন্তু আমরা আস্থা রখাতে পারিনি।
আমরা গনঅভ্যুত্থানের পর ৭-৮ মাস গলেও তেমন কোনো উদ্দোগ দেখিনি। তারা ব্যস্ত হয়েগিয়েছিলো আসন ভাগাভাগি করতে।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেল ৫টায় জাতীয় নাগরিক পার্টি, নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে শহরের পুরাতন বাসটার্মিনালের মুক্ত মঞ্চে পদযাত্রা অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহদি আরও বলেন, গত ১৬ বছরের যে ফ্যাসিজম আমরা চায় আগামীর বাংলাদেশে যেন কোনো স্বৈরাচার তৈরী হতে না পারে। আপনার আমার কথা বলার অধিকার থাকবে। অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে না। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পাবে। গণহত্যার বিচার মৌলিক সংস্কার, নতুন সংবিধান লাগবে এই ৩টির একটিও আমরা আদায় করতে পারিনি। এই ৩ দাবিসহ জুলাই সনদ আদায় করতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির নড়াইল জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক লে. ক. এম শাব্বির আহমেদ (অব.) সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সমন্বয়ক শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, জাতীয় নাগরিক পার্টির খুলনা বিভাগের অঞ্চল পরিচালক মোল্যা রহমতউল্লাহ প্রমূখ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে, শহীদ ও আহত হয়েছে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার কথা থাকতে হবে নতুন বাংলাদেশের সংবিধানে। ইনশাআল্লাহ আগামী ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জাতীয় নাগরিক পার্টি জমায়েত হবে এবং অন্তবর্তী সরকার থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র আদায় করে ছাড়ব।
তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। আমরা আশা করেছিলাম এক বছরে দেশের পরিবর্তন হবে। কিন্তু এখনও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হয়নি। আমরা দেখছি, আগের স্বৈরাচারি কাঠামো এখনও বহাল রয়েছে। লুটেরা, দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা হচ্ছে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছিল নতুন কাঠামো, নতুন রাষ্ট্র, নতুন দেশের জন্য। কেবল একটি দলকে সরিয়ে অন্য দল বসানোর জন্য আমরা আন্দোলন করিনি। আমরা মাঠে নেমেছি গণঅভ্যুত্থানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে। ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করে গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
এফএইচ/