দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টাঙ্গাইলে যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৫১১টি মোটরসাইকেল পারাপার হয়েছে। যা যমুনার সেতুর ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
গত বুধবার (৪ জুন) রাত ১২টার পর থেকে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেতু দিয়ে মোটরসাইকেলগুলো পারাপার হয়েছে।
এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় বাস পারাপার হয়েছে ১৫ হাজার, বড় ট্রাক সাড়ে ২৩ হাজার, ছোট পরিবহন প্রায় ১০ হাজার। স্বাভাবিক সময়ে এই সেতু দিয়ে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার পরিবহন চলাচল করে থাকে।
জানা যায়, যমুনা সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজায় ৯টি ও পশ্চিমে টোলপ্লাজায় ৯টি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুইটি লেন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল অংশে যানজট নিরসন করতে সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজায় টোল বারবার বন্ধ রাখা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকে এ মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে বাঐখোলা পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে জামুর্কি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে। অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, সেতুর ওপর গাড়ি বিকলসহ বিভিন্ন কারণে বুধবার ভোর ৪টা থেকে মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় ২২ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই যানজট সারাদিন পেরিয়েও সারা রাত অব্যাহত থাকে। ফলে বাড়তে থাকে মহাসড়কের যানজট।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবির পাভেল বলেন, ঈদযাত্রায় ছোট বড় ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন পারাপার হওয়ায় এতে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। সেতুর চালু হওয়ার পর একদিনে যানবাহন ও টোল এটাই সর্বোচ্চ। যমুনা সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেলের জন্য পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরএ