দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্তে ১৪ জনকে পুশ ইন করাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা দেখা গেছে। সেই সঙ্গে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ড্রোন ক্যামেরার দেখা মেলে সীমান্তে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) রৌমারী সীমান্তের আকাশে বিএসএফের ড্রোন ক্যামেরা দেখা যায়। এর আগে একইদিন ভোর চারটার দিকে ওই সীমান্তে ১০৬৭-সীমানা পিলারের নোম্যান্সল্যান্ডে ১৪ ভারতীয় নাগরিককে পুশ ইন করে বিএসএফ।
স্থানীয় ও একাধিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে অবৈধভাবে ১৪জন নারী-পুরুষকে বড়াইবাড়ি সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করার চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিষয়টি বুঝতে পেরে পুশ ইন ঠেকাতে বাধা দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলেও বিসএফের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানা গেছে। পরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ওই ১৪ নাগরিককে হেফাজতে নেয় জামালপুর বিজিবি।
এদের মধ্যে ৯জন পুরুষ ও ৫জন নারী। তারা সবাই ভারতের বান্দরবান জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ওই এলাকার খোরশেদ আলম, ময়জুদ্দিন, নুরুল হকসহ কয়েকজন জানান, ভারত থেকে কয়েকজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বিএসএফ। আর এতে বাধা দেয় বিজিবি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএসএফ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
জামালপুর ব্যাটালিয়ন ৩৫-বিজিবির সহকারী পরিচালক ভারপ্রাপ্ত অ্যাডজুট্যান্ট শামসুল হক জানান, বিএসএফ তাদের দেশের ২৪ নাগরিককে অবৈধভাবে পুশইনের চেষ্টা করলে আমাদের বিজিবি বাধা দেয়। পরে তাদের শূন্যরেখায় রেখে চলে যায় বিএসএফ। দিনভর চেষ্টা করেও বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের উদ্ধার করে ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/অ