দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন নোয়াখালী জেলা শাখার অফিস দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধনের প্রস্তুতিকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তারকেশ্বর দেবনাথসহ অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে।
সোমবার (১২ মে) জেলা শহর মাইজদীর শিল্পকলা অ্যাকাডেমি সংলগ্ন সড়কের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদের বড় ভাই জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব আপেলের নির্দেশে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন সাম্যবাদী দলের নেতারা।
আহতরা হলেন- সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তারকেশ্বর দেবনাথ নান্টু, সদস্য আমেনা বেগম, মো. সেলিম ও অভি চক্রবর্তী। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহত অভি চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় জেলা শহর মাইজদী টাউন হল মোড়ে সমবায় ব্যাংক মার্কেটে সাম্যবাদী আন্দোলনের অফিসে তালা দেয় জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব আপেল ও তার লোকজন। এরপর থেকে তারা অফিসে যেতে পারছে না। এর প্রতিবাদে আজ সোমবার সকাল থেকে সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নিতে যাওয়ার পথে শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন বিএনপি নেতা আপেলের লোকজন সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের লাঠির আঘাতে সাম্যবাদীর জেলা সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা তারকেশ্বর দেবনাথ নান্টুসহ অন্তত পক্ষে ৪ জন আহত হয়েছেন। এক পর্যায়ে তারা সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে মানববন্ধনের ব্যানার ও ফ্যাস্টুন কেড়ে নিয়ে যায়। পরে তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার চেষ্টা চালানো হয়। খবর শুনে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তবে জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মোতালেব আপেল অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, সাম্যবাদী দলের অফিসে যেদিন তালা দেওয়া হয় তখন আমি ঢাকায় ছিলাম। সকালে যখন সাম্যবাদী দলের লোকজনের ওপর হামলা হয় তখন আমি ঘুমে ছিলাম। এ ঘটনার সঙ্গে আমার বা বিএনপির কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ বলেন, সাম্যবাদী দলের ওপর হামলার ঘটনা শুনেছি। এই ঘটনার সঙ্গে আমি, আমার পরিবারের সদস্য বা বিএনপির কেউ জড়িত নয়।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরএ