দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভোলায় বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে ২য় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘট চলছে।
সোমবার (৫ মে) সকাল থেকে ভোলার বীরশ্রেষ্ট মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়নি কোনো বাস। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। দ্বন্দ্বের অবসান না হওয়ায় ছেড়ে যায়নি কোনো বাস। ফলে চরম বিরম্বনায় পড়েন যাত্রীরা। তবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন কর্মজীবী মানুষ এবং নারী ও শিশুরা।
সিএনজি শ্রমিকদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাস শ্রমিকরা।
কয়েকজন শ্রমিক জানান, অবৈধ সিএনজি সড়কে চলার ফলে বাস চলাচলে বিঘ্নের সৃষ্টি হচ্ছে। যত্রতত্র চলার ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা।
অন্যদিকে বাসের শ্রমিকদের ওপর পাল্টা অভিযোগ করে সিএসজি শ্রমিকদের দাবি বিনা কারণে তাদের ওপর হামলা হচ্ছে।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় গন্তব্যের উদ্দেশে ছুটে আসা যাত্রীদের চরম বিরম্বনায় পড়তে হয়েছে। তাদের অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হচ্ছে তাদের। এতে দূর-দূরান্তের যাত্রীদের বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। এদিকে অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে টার্মিনালে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ভোলার পুলিশ সুপার শরীফুল হক বলেন, টার্মিনালে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চলছে।
যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে গত রোববার (৪ মে) বিকেলে ভোলার বাংলাবাজারে বাস শ্রমিকের সঙ্গে সিএনজি শ্রমিদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে সড়কে বিক্ষোভ করে বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় বাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
আরএ