দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ভাতিজিকে (১৯) নিয়ে রিপন চন্দ্র দাস নামে এক যুবলীগ নেতা লাপাত্তা রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ওসি একেএম আজমল হুদা।তিনি বলেন, এ ঘটনায় রোববার ভুক্তভোগীর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে, গত শনিবার উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রিপন চন্দ্র দাস (৩৮) উপজেলার চরঈশ্বর ইউনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরলটিয়া গ্রামের প্রিয়লাল চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিন সন্তানের জনক। ওই কলেজছাত্রী তার দূর সম্পর্কের ভাতিজি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুবলীগ নেতা রিপন ও নিখোঁজ কলেজছাত্রী নিকটতম প্রতিবেশী। মেয়ের বাবার সঙ্গে রিপনের সুসম্পর্ক ছিল। ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা প্রায় রিপনকে তার বাড়িতে নিয়ে যেত। সেখানে রিপন প্রায় মা-মেয়ের সঙ্গে গল্প করত। তবে ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, কলেজে যাওয়ার পথে মেয়েকে উত্যক্ত করত রিপন। এক পর্যায়ে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। মেয়ে বিষয়টি তার বাবাকে বলার পর তিনি ছেলের পরিবারকে বিষয়টি জানান। তখন অভিযুক্ত ছেলে ও তার পরিবারের লোকজন মেয়ের বাবাকে হুমকি ধামকি দেয়। রিপন সরকার পতনের পর কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন। কয়েক মাস আগে আগে আবার প্রকাশ্যে আসে। গত শনিবার সকালে প্রাইভেট পড়তে কলেজে যাওয়ার পথে রাস্তা থেকে রিপনসহ তার সহযোগিরা জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যায়। এখনো মেয়ের কোনো খোঁজ পায়নি তার পরিবার। যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা রিপন চন্দ্র দাসের মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা আরো বলেন, মেয়ের বাবার সঙ্গে অভিযুক্ত ছেলের খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। প্রায় মেয়ের বাবা ছেলেকে তাদের বাসায় নিয়ে যেত, খাওয়া দাওয়া করত, এক সঙ্গে ঘুমাতো। ওই ছেলে মেয়েকে কলেজে নিয়ে যেত। এখন সে মেয়ে নিয়ে ভাগছে। এখানে অপহরণের কোনো কাহিনী নেই। তারপরও লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।
এফএইচ/