দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তৈয়বুর রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ফতুল্লা থানার লালখার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তৈয়বুর রহমান বলেন, ২০০০ সাল থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সাবেক জেলা সভাপতি গিয়াস উদ্দিন ২০০১ সালে এমপি হলেও লালখাঁ এলাকায় আওয়ামী লীগের কারণে বিএনপির কোনো অফিস করতে পারছিল না। তখন আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সেখানে বিএনপির অফিস করে দিয়েছি। পরে কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি করা হলো। সেই কমিটিতে আমাকে সহ-সভাপতি করা হয়। তখন আমি আরেকটু উজ্জীবিত হলাম।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের কমিটিতে আমাকে আবার সহ-সভাপতি করা হয়। ২০১৪ সালের কমিটিতে আমাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়। ২০২৩ সালের কমিটিতে আমাকে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ করা হয়। বেগম খালেদা জিয়া, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির আদর্শকে ভালোবাসি বলেই আমি এই দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছি।
তৈয়বুর রহমান বলেন, এছাড়া আমি কমিউনিটি পুলিশের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। এজন্য আমি অনেক মামলা থেকে নিস্তার পেয়েছি। কমিউনিটি পুলিশিং পদে থাকার কারণে এসপি ও ওসির সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। কমিউনিটি পুলিশের সকল প্রোগ্রামে আমি অর্থায়ন করতাম। সেই সুবাধে আমার নামে খুব বেশি মামলা হয়নি। তবে ৫ আগস্ট প্রায় ১০ বার আমার বাসায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আটকের জন্য গিয়েছিল। কিছুদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নাকি আমার ছবি রয়েছে। থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামালের ছেলের সঙ্গে আমার মেয়ের বিবাহ হয়। এর ফলে কিছু ছবি আছে। যখন বিবাহ দিয়েছি, তখন তার আওয়ামী লীগের কোনো পদ-পদবী ছিল না। তিনি আরও বলেন, বিএনপির এই নেতা বলেন, ২০২৩ সালে যখন কেউ বিএনপির নাম মুখে নিতে ভয় পেতো, তখন আমি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে বিশাল আয়োজন করে নারায়ণগঞ্জে আলোড়ন সৃষ্টি করেছি। এই ঘটনার পর শামীম ওসমান আমাকে হুমকি দিয়েছিল।
বিএনপির এই নেতা আরও বলে, আমি নারায়নগঞ্জের একজন ব্যবসায়ী। আমার নিজের প্রতিরক্ষার সুবাদে একটি লাইসেন্স করা বৈধ অস্ত্র পেতেই পারি। কিন্তু ডিসি অফিসে অনেকে চেষ্টা করেছে যেন আমি অস্ত্র না পাই। আমার বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্রটা নিয়ে বারবার ছবি দিচ্ছে। এবং আমার মেয়ে বিয়ে দেওয়ার পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আমাদেরকে দাওয়াত দিয়েছিল সেখানে গিয়েছিলাম সেখানে ছবি তোলা হয়েছে। সেই ছবি নিয়েও অপপ্রচার হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু জায়গায় সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। তাদেরকে সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তৈয়বুর রহমান।
আরএ