দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দাগনভূঞাতে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য শাহ আলম দুলালের চাঁদাবাজি ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
শনিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার তুলাতলি বাজার এলাকায় এই মানববন্ধন করেন আজিজ ফাজিলপুর ও সেকেন্দারপুর এলাকাবাসী।
দাগনভূঞার তুলাতুলিতে আরএলবি-২ ইটভাটার মালিক আবদুর রহমান বলেন, পুলিশের সাবেক এই সদস্য আমার কাছে ২১ লাখ টাকা চাঁদা ছেয়েছে। চাঁদার টাকা না দেওয়ার কারণে তিনি পরিবেশ দপ্তরে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ব্রিক ফিল্ডে এ পর্যন্ত চারবার ভেঙেছে। যার ফলে আমরা মালিক পক্ষ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি, তেমনি শতশত দিনমজুর শ্রমিক ও অগ্রিম ইট কিনে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েছি।
মানববন্ধনে শাহ আলম দুলালের ভাই জানে আলম বলেন, দুলাল হচ্ছে একজন সন্ত্রাসী। সে আমারও সব সম্পত্তি জোর করে দখলে রেখেছে। এলাবাসীর সঙ্গে আমি ও আমার ভাই দুলালের বিচার চাই।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য শাহ আলম দুলালের অদৃশ্য শক্তি বলে দাগনভূঁঞা থানার আজিজ ফাজিলপুর ও সেকান্দরপুর এলাকার মানুষের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তার অত্যাচার হতে আজিজ ফাজিলপুর ও সেকান্দারপুরবাসী চিরতরে মুক্তি কামনা করে শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে সেকান্দরপুর এলাকার নূর ইসলাম, আবুল বাসার, মজিবুল হোক, আজিজি ফাজিলপুর এলাকার নাছির উদ্দিন, মো. মামুন, দেলোয়ার হোসেনসহ সর্বস্থরের এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য শাহ আলম দুলাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়। মূলত ব্রিক ফিল্ডের চলাচলের রাস্তাটি আমার পৈতৃক সম্পত্তির ওপর। এ নিয়ে আমি পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিয়েছি। এছাড়া ব্রিক ফিল্ডের পাশে আজিজ ফাজিলপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, সিদ্দিকিয়া মাদরাসা ও মানুষের ঘনবসতি রয়েছে। এসব কারণে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অনুমতি না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
ফেনী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শওকত আরা কলি জানান, ২০২১ সাল থেকে ইটভাটার লাইসেন্স না থাকা ও ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ থাকায় সদর দপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযানেরর মাধ্যমে ইটভাটাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে দাগনভুঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) লুৎফর রহমান জানান, আমরা বিষয়টি শুনেছি। তবে এ বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরএ