দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ওমরাহ শেষ করে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসা নোয়াখালীর যুবলীগ নেতা আবদুল কাদের মিলন (৩৫)-কে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে বাড়ি ফেরার পথে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ২ নম্বার ওয়ার্ডের হাজারী হাটের পূর্ব পাশে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তরা গণপিটুনি দিয়ে ফেলে রাখে।
নিহত আবদুল কাদের মিলন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৫নং ওয়ার্ডের মো. ইসমাইলের ছেলে।
জানা যায়, আবদুল কাদের মিলন ওমরাহ করে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে বাড়ি ফেরার পথে চরপার্বতী ২ নম্বার ওয়ার্ডের হাজারী হাটের পূর্ব পাশে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তরা গণপিটুনি দিয়ে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। তারপর অ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় নেওয়ার পথে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার কাঁচপুর এলাকায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
নিহতের স্ত্রী জোলেখা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীর সঙ্গে আমাদের মেম্বার যুবদল নেতা সুমন ও চরপার্বতীর যুবদল নেতা মাইন উদ্দিন এবং এক সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তিনি ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় ছিলেন না। তারা আশ্বাস দেওয়ায় সে বাড়িতে আসে। তারপর তার অবস্থান নিশ্চিত করে চরপার্বতীর জামায়াতের লোকজনকে জানায়। বাড়িতে আসার সময় তাকে গণপিটুনি দেয়। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।
চরপার্বতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও একই ইউনিয়নের জামায়াতের আমির কাজী হানিফ বলেন, এটার সঙ্গে জামায়াতের কেউই জড়িত নয়। জামায়াত হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেনা। তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হক।
কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, এক যুবলীগ নেতার মৃত্যুর খবর শুনেছি। এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরএ