দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলায় চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে সিঁধ কেটে একই রাতে পাঁচটি ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং একটি মোবাইলফোন চুরি করে নেয় চোর।
শনিবার (৫ মার্চ) রাতে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কুহুদশকাঠি গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকে ওই এলাকায় চোর আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে চোরেরা রিপন বৈদ্য, পার্থ বৈদ্য, প্রশান্ত বৈদ্য, সত্য বৈদ্য ও রমেন বৈদ্যের বাড়িতে সিঁধ কেটে ঘরের ভেতরে ঢুকে মূল্যবান জিনিস, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চুরির নমুনা দেখতে পান ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। একই রাতে একটি গ্রামের পাঁচটি বাড়িতে চুরি হওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী রিপন বৈদ্য জানান, আমি কয়েকদিন আগে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গরু বিক্রি করেছি। ঈদের ছুটির কারণে বন্ধ থাকায় ব্যাংকে টাকা রাখতে পারিনি। সব টাকাগুলো চোরেরা নিয়ে গেছে।
ভুক্তভোগী শোভা রানী বড়াল বলেন, রাত আড়াইটার দিকে গোয়াল ঘরের বাধা গরুগুলো দেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকালে উঠে দেখি আমার ব্যবহার করা দুটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে গেছে। আমরা দিনমজুর, তাই অনেক কষ্ট করে এই অলংকারটুকু জোগাড় করেছিলাম।
ওয়ার্ড চৌকিদার ইমরান হোসেন বলেন, চুরির ঘটনা শুনে সরেজমিনে গিয়ে থানায় জানিয়েছি। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে কিছু অপরিচিত লোক ইউনিয়নে আনাগোনা করছে। তাদের মাধ্যমে এই চুরি সংঘটিত হতে পারে।
ইউপি সদস্য কমলেশ রায় বলেন, এলাকায় কয়েকদিন ধরে চুরির ঘটনা ঘটছে। ব্যস্ততার জন্য সরেজমিনে যেতে পারিনি। শুনেছি চুরি হওয়ার নমুনাগুলো একই প্রকৃতির। সম্প্রতি এলাকায় কিছু বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একই রাতে একইভাবে সিঁধ কেটে পাঁচটি ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তদন্ত চলছে।
/অ