দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় একাধিক পক্ষের সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঈদগাহ মাঠে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
রোববার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাগলা থানা এলাকার ৯ নন্বর পাঁচবাগ ইউনিয়নের লামকাইন ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ১৪৪ ধারা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিন দুপুরে গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) এনএম আব্দুল্লাহ আল মামুন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা বলা হয়, ৯ নন্বর পাঁচবাগ ইউনিয়নের লামকাইন ঈদগাহ মাঠে একাধিক পক্ষ হতে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতিসহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা বিদ্যমান রয়েছে। এমতাবস্থায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে অর্পিত ক্ষমতাবলে আমি এনএম আবদুল্লাহ- আল- মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ অত্র এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করলাম।
এতে আরও বলা হয়, ওই এলাকায় সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন, লাঠি বা দেশী অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন আতশবাজি, পটকা, মাইকিং বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার, জনের বেশি ব্যক্তি একত্রে চলাফেরা, সভা-সমাবেশ, মিছিল ইত্যাদি নিষিদ্ধ থাকবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মুফতি মোহাম্মদ আলী আওয়ামী ওলামা লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বিতর্ক থাকায় তাকে ওই মাঠের ইমাম হওয়া নিয়ে আপত্তি জানায় একটি পক্ষ। তবে এ নিয়ে তার অনুসারীরাও তাকে ইমাম হিসেবে রাখতে চেষ্টা চালায়। এতে দুই পক্ষ মুখোমুখি হওয়ায় সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঈদ হচ্ছে আনন্দের। এদিন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সৃষ্টি হোক, সেটা আমরা কেউই চাই না। ঈদগাহে ইমাম নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ দুটি গ্রুপ তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে আশপাশের মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত আদায় করতে পারবে।
আরএ