দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলমকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৩ মার্চ) খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম এ রায় দেন।
জানা যায়, এক যুগ আগে নগরীর খালিশপুরের মুজগুন্নী আবাসিক এলাকায় মিল্কি আইসক্রিম ফ্যাক্টরির মালিক মাসুদ হাসানের বাসার গৃহকর্মী সীমাকে হত্যা ও লাশ গুমের গল্প তৈরি করেছিলেন এসআই শাহ আলম। পরে পুলিশের আরেকটি দল সীমাকে জীবিত উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুস হয়রানির অভিযোগে শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক।
আদালত থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চর দৌলতপুর গ্রামের ওলিয়ার রহমানের ৯ বছরের মেয়ে সীমাকে বাসার কাজের জন্য নিয়ে যান মাসুদ হাসান ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন। দীর্ঘদিন কাজ করার পর সীমা ওই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে সীমার মা গৃহকর্তা মাসুদসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ৭ মে মামলা করেন। মামলার তদন্ত করতে গিয়ে খালিশপুর থানার তৎকালীন এসআই শাহ আলম মাসুদের পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন। ঘুস না পেয়ে এসআই শাহ আলম নিখোঁজের ঘটনাকে ‘হত্যা নাটক’ সাজান। ডুমুরিয়া উপজেলার লাইন বিল পাবলার একটি খাল থেকে বস্তাবন্দি অজ্ঞাতনামা নারীর লাশকে সীমা হিসাবে বর্ণনা করে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চালান। এ ঘটনায় মাসুদ ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করেন শাহ আলম। পরে সীমাকে উদ্ধার করে আরেকটি পুলিশের টিম।
এদিকে, গৃহকর্মী সীমা হত্যা নাটক ও জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন।
আরএ