দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরে ইট ভাটার লাইসেন্স নবায়ন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল ১২টার দিকে জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এ সময় ইটভাটার মালিকরা জানান, দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও শরীয়তপুরী ইটভাটার মালিকরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এছাড়া এই শিল্পের সাথে শরীয়তপুরের প্রায় কয়েক হাজার শ্রমিক জড়িত রয়েছে। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে শরীয়তপুরের লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা গুলো সচল ও বাকি নবায়নকৃত লাইসেন্স সহ পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে ইটভাটা গুলোকে প্রধানের দাবি জানান মালিকরা।
শরীয়তপুর ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল জলিল খান বলেছেন, তারা জেলায় প্রথম পরিবেশবান্ধব ঝিকঝাক পদ্ধতিতে ইট প্রস্তুত করছেন এবং এজন্য জেলা প্রশাসকের পুরস্কার পেয়েছেন। সরকার ব্লক ইট তৈরির নির্দেশনা দিলেও মালিকরা কোটি টাকা লোন নিয়ে ইটভাটা স্থাপন করেছেন এবং শ্রমিকদের দাদনের মাধ্যমে এনেছেন। লোন পরিশোধ ও খরচ ওঠানোর জন্য অন্তত ৪-৫ বছর সময় চেয়ে তিনি প্রশাসনের কাছে ইটভাটা চালানোর অনুমতি দেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর শরীয়তপুরের সহকারী পরিচালক রাসেল নোমান বলেন, ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ এর ৮/৩(ঙ) অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনবহুল এলাকা ও বাজার ঘাটের এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ভাটা স্থাপন করা যাবে না। সে আইনের ধারা অনুযায়ী শরীয়তপুরের যে ভাটাগুলোকে পরিবেশগত ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে না সে সবগুলো ভাটা এ আইনের আওতাভুক্ত। ভাটাগুলো দূরে সরিয়ে নেওয়া না পর্যন্ত কোনোভাবেই পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়ার সুযোগ নেই।
শরীয়তপুরে চলমান মোট ৩২ টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে মাত্র ১০ টির। সম্প্রতি সময়ে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে ফেলা হয়েছে। মূলত বাকি অবৈধ ইটভাটা গুলো ভেঙে না ফেলার প্রতিবাদেই আজকের বিক্ষোভ সমাবেশ।
এফএইচ/