দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে শরীয়তপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দু’মাস জাটকাসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে জেলার নড়িয়া উপজেলার চন্ডিপুর থেকে ভেদরগঞ্জের কাচিকাটা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলাকায় সরকারিভাবে নিবন্ধিত প্রায় ২৫ হাজার ৮২৬ জন জেলে সব ধরনের মাছ ধরায় বিরত থাকবে। এ সময় ইলিশ মাছ ক্রয়, বিক্রয়, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নদীর উপকূলীয় এলাকা ও হাটবাজারগুলোতে মাইকিং, লিফলেট ও পোস্টারের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে কার্ডধারী ১৫ হাজার ৪৬৫ জন জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল বরাদ্দ করে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান বলেন, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চন্ডিপুর থেকে ভেদরগঞ্জের কাচিকাটা পর্যন্ত পদ্মা নদীর ২০ কিলোমিটার এলাকা ইলিশের ৫ম অভয়াশ্রম। মার্চ-এপ্রিল দুই মাস এ এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। আইন বাস্তবায়নে মাইকিং, সচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ১৫ হাজার ৪৬৫ জন জেলেকে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হবে। এতে জাটকা বড় হওয়ার সুযোগ পাবে এবং ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
/অ