দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুর সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতা গোলাম জাকারিয়া বাদলের (৪৭) মৃত্যুর ঘটনায় কোনো মামলা বা কেউ আটক হয়নি।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে ওই দিন বিকেলে সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ভীমগঞ্জ এলাকায় তার ওপর হামলা হয়।
বিএনপি নেতা গোলাম জাকারিয়াকে হত্যার ঘটনায় জড়িত তিনজনের বাড়িতে তার অনুসারীরা আগুন দিয়েছে। জাকারিয়া মারা যাওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর বুধবার সকালে ভীমগঞ্জ এলাকার আবদুল জলিল, আক্কাস আলী ও আবদুল মোতালেবের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে শেরপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শেরপুর ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক মো. নাসিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিহত জাকারিয়া বাদল সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ভীমগঞ্জ গ্রামের মৃত আবদুল আজিজের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শেরপুর সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ছিলেন। গোলাম জাকারিয়া খুন হওয়ায় তার পরিবার ও স্বজনেরা শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন।
জেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সদর উপজেলার ভীমগঞ্জ গ্রামে জাকারিয়া বাদলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, জাকারিয়া বাদলের মা মাহফুজা খাতুন ছেলের মৃত্যুর সংবাদ শুনে প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন। বাড়ির আঙিনায় প্রতিবেশী ও স্বজনেরা ভিড় করছেন। চিৎকার করে কাঁদছিলেন জাকারিয়ার ফুফু ইসমত আরা ও ছোট বোন আজিজুন্নাহার।
আরএ